হাদি হত্যাচেষ্টা মামলায় অস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ যুবলীগ কর্মী গ্রেফতার
হাদি হত্যাচেষ্টা মামলায় অস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ যুবলীগ কর্মী গ্রেফতার

হাদি হত্যাচেষ্টা মামলায় অস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ যুবলীগ কর্মী গ্রেফতার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির কর্মী শরীফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া হিমন রহমান শিকদার (৩২) মোটরসাইকেল চালক আলমগীরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী হিসেবেও পরিচিত।

পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় হিমনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

হিমন রহমান শিকদারের গ্রামের বাড়ি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ইতনা গ্রামে। তার বাবা হামিমুর রহমান শিকদার। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর আদাবর এলাকার ১৭/বি রোডের ১০৩৪ নম্বর বাসায় বসবাস করছিলেন।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা।

তিনি জানান, হাদি হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের চালক আলমগীরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে হিমনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। বুধবার বিকেলে আদাবরের একটি আবাসিক হোটেল ‘আল রাজ্জাক ইন’ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে একটি বাসা থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় শরীফ ওসমান বিন হাদির মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় পল্টন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর তদন্তে অগ্রগতির অংশ হিসেবে প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত শুটার ফয়সালের বাবা ও মাকে গ্রেফতার করা হলেও মূল অভিযুক্ত ফয়সাল এবং তার সহযোগীরা এখনো পলাতক রয়েছে।

পুলিশের ধারণা, তারা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *