মুক্তাগাছায় খাস জমিতে রাস্তা নির্মাণ নিয়ে বিরোধ, গোয়ালঘর ভাঙচুর ও গাছ কাটার অভিযোগ

মুক্তাগাছায় খাস জমিতে রাস্তা নির্মাণ নিয়ে বিরোধ, গোয়ালঘর ভাঙচুর ও গাছ কাটার অভিযোগ

মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় সরকারি খাস জমিতে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে ওই জমিতে থাকা একটি গোয়ালঘর ভাঙচুর এবং নারিকেল গাছে থোকায় থোকায় নারিকেলসহ বিভিন্ন গাছপালা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার খেরুয়াজানী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দগোয়ালীয়া পূর্বপাড়ায়।

মুক্তাগাছা থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, বাদী মোছাঃ ফেরদৌসী আক্তার (৩৬) অভিযোগ করেছেন, প্রায় এক শতাংশ সরকারি খাস জমি দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের সদস্যরা ভোগদখল করে আসছেন। ওই জায়গায় একটি গোয়ালঘরসহ কাঁঠাল, সুপারি, নারিকেল, আম ও কলাগাছসহ বিভিন্ন গাছপালা ছিল।

অভিযোগে মোছাঃ ফেরদৌসী আক্তার মোঃ ফেরকান (৪৫), মোঃ মোশারফ হোসেন (৩৫), মোঃ ইসরাফিল (৪০), মোঃ ফারুক (৪০) ও মোছাঃ উম্মে কুলসুম (৩৫)-এর নাম উল্লেখ করেছেন।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, গত ২৩ আগস্ট দুপুরে কয়েকজন ব্যক্তি দা, কুড়াল ও কোদাল নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় গোয়ালঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি বিভিন্ন ফলজ ও কাঠজাতীয় গাছ এবং কলাগাছ কেটে ফেলা হয়। পরে ওই জায়গায় রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ ছাড়া বাধা দিলে বসতঘর ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বাদী।

বাদীপক্ষের আরও দাবি, পরিবারের পুরুষ সদস্যদের কেউ কেউ বিদেশে থাকায় বর্তমানে বাড়িতে তারা অনেকটা অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়ার কথা থাকলেও পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে তাদের ক্ষতি করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।

মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় সরকারি খাস জমিতে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে ওই জমিতে থাকা একটি গোয়ালঘর ভাঙচুর এবং নারিকেল গাছে থোকায় থোকায় নারিকেলসহ বিভিন্ন গাছপালা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার খেরুয়াজানী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দগোয়ালীয়া পূর্বপাড়ায়।

মুক্তাগাছা থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, বাদী মোছাঃ ফেরদৌসী আক্তার (৩৬) অভিযোগ করেছেন, প্রায় এক শতাংশ সরকারি খাস জমি দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের সদস্যরা ভোগদখল করে আসছেন। ওই জায়গায় একটি গোয়ালঘরসহ কাঁঠাল, সুপারি, নারিকেল, আম ও কলাগাছসহ বিভিন্ন গাছপালা ছিল।

অভিযোগে মোছাঃ ফেরদৌসী আক্তার মোঃ ফেরকান (৪৫), মোঃ মোশারফ হোসেন (৩৫), মোঃ ইসরাফিল (৪০), মোঃ ফারুক (৪০) ও মোছাঃ উম্মে কুলসুম (৩৫)-এর নাম উল্লেখ করেছেন।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, গত ২৩ আগস্ট দুপুরে কয়েকজন ব্যক্তি দা, কুড়াল ও কোদাল নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় গোয়ালঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি বিভিন্ন ফলজ ও কাঠজাতীয় গাছ এবং কলাগাছ কেটে ফেলা হয়। পরে ওই জায়গায় রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ ছাড়া বাধা দিলে বসতঘর ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বাদী।

বাদীপক্ষের আরও দাবি, পরিবারের পুরুষ সদস্যদের কেউ কেউ বিদেশে থাকায় বর্তমানে বাড়িতে তারা অনেকটা অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়ার কথা থাকলেও পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে তাদের ক্ষতি করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।

অভিযোগ অস্বীকার

তবে গোয়ালঘর ভাঙচুর ও গাছ কাটার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় মাতব্বর সুলতান মিয়াসহ সংশ্লিষ্টরা।

তাদের দাবি, গাছ কাটার সঙ্গে তারা জড়িত নন এবং বাদীপক্ষের অভিযোগের সঙ্গে তারা একমত নন।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথাবার্তার একপর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন পুলিশের

ঘটনার বিষয়ে জানতে মুক্তাগাছা থানার এসআই তন্ময়ের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে EiMatro TV।

তিনি জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখেছেন। উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হবে।

এদিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি দেখেছেন গ্রাম পুলিশ দুলালও। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ঘটনাস্থলে গাছ কাটার বিষয়টি দেখেছেন এবং তার মতে, গাছ কাটা অন্যায় হয়েছে।

খাস জমিতে গাছ কাটার বিষয়ে ভূমি অফিস

বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা জমিটি সরকারি খাস জমি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে মুক্তাগাছা ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুবনা আহমেদ লুনা জানান, সরকারি খাস জমিতে সরকার ছাড়া অন্য কারও গাছ কাটার অধিকার নেই।

তিনি বলেন, “যেহেতু এটি খাস জমি, সেখানে সরকার ছাড়া কেউ গাছ কাটতে পারে না। এটি অপরাধ। এ বিষয়ে আমাদের দপ্তরে এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেব।”

অন্যদিকে, বাদীপক্ষের অভিযোগ—আগে থেকেই রাস্তা থাকার পরও তাদের ভোগদখলে থাকা জায়গায় প্রবেশ করে গোয়ালঘর ভাঙচুর ও গাছপালা কেটে নতুন করে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তবে গোয়ালঘর ভাঙচুর ও গাছ কাটার অভিযোগের সত্যতা এবং প্রকৃতপক্ষে কারা এসব ঘটিয়েছে, তা এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি।

একইসঙ্গে জমিটির প্রকৃত সরকারি অবস্থান, কার দখলে রয়েছে এবং সেখানে রাস্তা নির্মাণের বৈধতা রয়েছে কি না—এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্তৃপক্ষের যাচাই প্রয়োজন।

EiMatro TV-এর পক্ষ থেকে দুই পক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও ভূমি কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে কোনো আইনগত বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হলে তা পাঠকদের জানানো হবে।

About EiMatro TV

📰 EiMatro TV সম্পর্কে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *